মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত এঁর সাথে গত ৮/০৪/২০১৪ তারিখ কমিশনের সভা হয়েছে। সভায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমত আরা সাদেক উপস্থিত ছিলেন। বেতন ও চাকরি কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনের ০৫টি (পাঁচটি) সভা হয়েছে। বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন পেশা ও সার্ভিস সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দের সাথে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় প্রশ্নমালা পাঠানো হয়েছে।
চাকরিজীবীদের ও সর্বসাধারণের জন্য তৈরি করা প্রশ্নমালা ০২টি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে।
বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রশ্নমালা সম্পর্কে প্রচার চলছে।
পূরণকৃত প্রশ্নমালা প্রক্রিয়াকরণের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, পরিকল্পনা কমিশন ও কনট্রোলার জেনারেল অব একাউন্টস হতে প্রয়োজনীয় আর্থসামাজিক তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে।
বেতন ভাতা সম্পর্কে অর্থ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণের সাথে কমিশনের মত বিনিময় সভা হয়েছে।
প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহ যেমন ভারত, সিঙ্গাপুর হতে বেতন কমিশনের রিপোর্ট সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শ্রীলংকা থেকে বেতন কাঠামো সংগ্রহ করা হয়েছে। একটি উন্নত দেশ অষ্ট্রলিয়া থেকে বেতন, ভাতা ও চাকুরী সম্পর্কে তথ্য উপাত্ত জোগাড় করা হয়েছে।
পূরণকৃত প্রশ্নমালাসহ ব্যক্তি ও সংগঠনের কাছ থেকে পাওয়া বেতন ও চাকরি সম্পর্কিত আবেদন পত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
উপজেলা পর্যায়ে মত বিনিময় সভা করা হয়েছে। এ কার্যক্রম জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অব্যাহত থাকবে।
একটি বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রণয়নের প্রয়োজনে কতিপয় সমীক্ষা সম্পাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
পূর্বতন কমিশন সমূহের সভাপতি, সদস্য, প্রাক্তনমন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রাক্তন মন্ত্রিপরিষদ সচিববৃন্দ কম্পট্রোলার এবং অডিটর জেনারেল, প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবী, এনজিও ব্যক্তিত্বকে মতামত প্রদান ও সাক্ষাতকারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাথে মত বিনিময় করা হচ্ছে।
সরকারী চাকরিজীবীগণের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়টি নজরে রাখা হয়েছে।
দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে সরকারী চাকরিজীবীগণের অবদান ও ইহার স্বীকৃতি প্রদানের চিন্তা রয়েছে।